1. shobujsk1990@gmail.com : Sobuj :
June 4, 2026, 2:05 pm
শিরোনাম:
হাইওয়ে সড়কে অটোরিকশা-ইজিবাইক চলাচলের নিষেধাজ্ঞা ঈদের ছুটি শেষ হলেও নিজ কার্যালয়ে অনুপস্থিত কর্মকর্তা থামলো রাজপথ কাঁপানো এক কিংবদন্তির কণ্ঠস্বর শহীদ জিয়ার ‘আত্মবিশ্বাস’ই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও পরবর্তী নেতৃত্বের মূল শক্তি: রবিন রায়হান জসিম পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন মোঃ শরিফুল ইসলাম পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন আরিফুল ইসলাম নয়ন পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন মোঃ সাইদুল ইসলাম পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন আলহাজ্ব সিকদার ওয়াহিদুজ্জান ইকু পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন শামীম আহমেদ বাবু পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন বাবুল আখতার

ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইন: গুজব, বাস্তবতা ও জ্বালানি নিরাপত্তা

  • আপডেটের সময়: Tuesday, March 10, 2026
  • 183 Time View

খাইরুল ইসলাম,স্টাফ রিপোর্টার:
ভারত থেকে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহের জন্য নির্মিত ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইন প্রকল্প নিয়ে একসময় নানা বিতর্ক ও গুজব ছড়ানো হয়েছিল। তবে বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও জ্বালানি বাজারের বাস্তবতায় এই প্রকল্পের গুরুত্ব নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

পাইপলাইনের প্রকল্প ও উদ্বোধন ১৩১.৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইনের মধ্যে প্রায় ১২৬ কিলোমিটার বাংলাদেশের ভেতরে অবস্থিত। ভারতের শিলিগুড়ি থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুর পর্যন্ত বিস্তৃত এই পাইপলাইন প্রকল্পের কাজ শেষ হয় ২০২২ সালে।
২০২৩ সালের ১৮ মার্চ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যৌথভাবে এই পাইপলাইন উদ্বোধন করেন। এর আগে এই প্রকল্পকে ঘিরে বিভিন্ন মহল থেকে নানা ধরনের সমালোচনা ও অভিযোগ তোলা হয়েছিল।
জ্বালানি আমদানিতে নতুন সম্ভাবনা
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতি বছর প্রায় ৩ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করতে পারে। ভবিষ্যতে এই পরিমাণ ১০ লাখ টন পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ ১৫ বছর মেয়াদে ভারত থেকে ডিজেল আমদানি করতে পারবে।
বাংলাদেশের ডিজেল চাহিদা
বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৪৩ লাখ টন ডিজেলের প্রয়োজন হয়। দেশের মোট জ্বালানি আমদানির প্রায় ৭০ শতাংশই ডিজেল।
দৈনিক প্রায় ১২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলের চাহিদা রয়েছে, আর মাসিক চাহিদা প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার টন।

দেশের পরিবহন ব্যবস্থা, কৃষি খাত ও শিল্পকারখানার বড় একটি অংশ ডিজেলের উপর নির্ভরশীল হওয়ায় জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক বাজার ও আমদানি ব্যয়
আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের দাম বেড়ে গেলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানির ক্ষেত্রে পরিবহন খরচ ও ডলারের চাপ বাড়ার ঝুঁকি থাকে।
সেক্ষেত্রে পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে সরাসরি ডিজেল আমদানি বাংলাদেশের জন্য তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে যেখানে প্রতি ব্যারেল ডিজেলের দাম প্রায় ১০০ ডলারের বেশি, সেখানে ভারত থেকে তুলনামূলক কম দামে ডিজেল পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এতে আমদানি ব্যয় কমানো সম্ভব হচ্ছে।

অর্থনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে দেশের পরিবহন, কৃষি ও শিল্প খাত উপকৃত হয়। অন্যদিকে জ্বালানি সংকট তৈরি হলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হতে পারে।

এই প্রেক্ষাপটে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনকে জ্বালানি সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2026 S.S Media Limited
Theme Customized By Unkwon