1. shobujsk1990@gmail.com : Sobuj :
July 28, 2026, 6:34 am
শিরোনাম:
বিএনপির আদর্শে ‘অ্যাসোসিয়েশন অব মেরিটাইম প্রফেশনালস (বাংলাদেশ)’-এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন গোপালগঞ্জের গণহত্যার বিচার বাংলার মাটিতেই হবে: মিজানুর রহমান বিটু খোকসার রাজনীতিতে নতুন মুখ কে এই সালেহীন খান “ইনভেস্টিগেশন নিউজ” এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানালেন আরিফুল ইসলাম নয়ন “ইনভেস্টিগেশন নিউজ” এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানালেন তারিকুল ইসলাম ​অবক্ষয়ের মুখে সমাজ: বাল্যবিবাহ,মাদক ও ধর্ষণের কবলে পুরো জাতি পৌর মেয়র নয় সবার বন্ধু হতে চাই “ইনভেস্টিগেশন নিউজ” এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানালেন নাজমুস সালেহীন খান “ইনভেস্টিগেশন নিউজ” এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা মো: সায়েদুজ্জামান দৌলতপুরের ফিলিপনগরে মাদক ব্যবসার অভিযোগ: একাধিক মামলার আসামি মাসুদকে ঘিরে এলাকাবাসীর উদ্বেগ

একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে

  • আপডেটের সময়: Wednesday, April 8, 2026
  • 152 Time View

বিশেষ প্রতিবেদক,ঢাকা:
কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী যুবলীগের নতুন কমিটি প্রকাশের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ সর্বমহলে চলছে সমালোচনার ঝড়। বিশেষ করে সভাপতি মীর সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুন অর রশিদ’কে নিয়ে একের পর বিতর্কিত চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

গত ২, এপ্রিল বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এর প্যাডে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল স্বাক্ষরিত ১০১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটির অনুমতি দেয়া হয়। এর আগে ২০১৭ সালে কুষ্টিয়াতে যুবলীগের সম্মেলনের মাধ্যমে হাজী রবিউল ইসলাম’কে সভাপতি ও জিয়াউল ইসলাম স্বপন’কে সাধারণ সম্পাদক করে একটি আংশিক কমিটির অনুমোদন দেন তৎকালীন কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী। এরপরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি বা আর কোন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি। ২০২৪ সালের ৫-ই আগস্টে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয় এবং সে সময় থেকে এখন পর্যন্ত অধিকাংশ আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা আত্মগোপনে আছে। তবে ২০২৪ সালের ৫-ই আগস্টের পর হতে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের অনেক নেতাকর্মীদেরকে বিএনপি, জামাত ও ইসলামিক আন্দোলনের সঙ্গে দলীয় সম্পৃক্ততা দেখা গেছে। উল্লেখ্য, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী যুবলীগের নতুন কমিটিতে থাকা অনেকেই দলের এই দুঃসময়ে নিজেদের স্বার্থ-হাসিলের জন্য দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে দূরে আছে এবং আওয়ামী বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী যুবলীগের নতুন কমিটির সভাপতি মীর সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে তার দলীয় নেতাকর্মীরা অভিযোগ তুলেছে, ২০২৪ সালের ৫-ই আগস্টের পর মীর সাইফুল ইসলাম তার ফেসবুক আইডিতে ” স্বৈরাচার সরকারের পতন হলো ” এমন মন্তব্য পোস্ট করে। এতে করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় সে সময়। মীর সাইফুল ইসলাম একসময় ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিলেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তার কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে কুষ্টিয়ার রাজনীতিতে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক যুবলীগের কর্মীরা অভিযোগ তুলেছে, মীর সাইফুল ইসলাম সরকার পতনের পর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের কে দিয়ে সে সময় আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা,লুটপাট করায়। ২ এপ্রিল কমিটি ঘোষণার পর কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র আহবায়ক কুতুব উদ্দিন এর নিমন্ত্রণে তার বাসায় মীর সাইফুল ইসলাম ও আর এক আওয়ামী লীগ নেতা গিয়েছিল এবং সেখানে কুষ্টিয়া জেলার বিএনপি’র আহবায়ক কুতুবু উদ্দিনের কাছে লিখিত একটি মোচ-লেখা দিয়ে আসে মীর সাইফুল ইসলাম, এতে স্পষ্ট লেখা থাকে কুষ্টিয়া জেলা যুবলীগের পক্ষ থেকে কুষ্টিয়াতে কোন মিটিং, মিছিল সহ কোন ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম করা যাবে না।

শুধু সভাপতি মীর সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধেই নয় অভিযোগ উঠেছে আরো সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুন আর রশিদের বিরুদ্ধে, মোঃ হারুন আর রশিদ কুমারখালী উপজেলার পৌর এলাকার বাসিন্দা। তিনি কুমারখালী পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছিলেন। এবং সে সময় ক্ষমতা আর অবৈধ অর্থের এক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলো। তাই নয় ক্ষমতার প্রভাব বিস্তারের জন্য নিজ দলের অনেক নেতা কর্মীরা তার কাছে হামলা,মামলা শিকার হয়েছে একাধিকবার। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগেও কুমারখালী পৌরসভার এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম ছিলেন এই হারুন আর রশিদ। কুমারখালী পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় মাঝে মাঝেই হারুন আর রশিদকে দেখা যেত মদ খেয়ে মাতলামি অবস্থায়। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় টার্মিনাল এলাকায় পথচারীদের সঙ্গে মারামারি ও দুর্ব্যবহার ছিল তার নিত্যদিনের সঙ্গী, এমনটি জানায় কুমারখালী পৌর বাস টার্মিনাল এলাকার অনেকেই।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সভাপতি হাজী রবিউল ইসলাম বলেন, এই কমিটির অধিকাংশ সদস্যরাই বিতর্কিত আর এই বিতর্কিত ব্যক্তিদের কে দিয়ে কিভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম চলবে আমরা বলতে পারিনা। তবে এতোটুকু বলতে পারি, এই কমিটি বাতিল না করলে প্রকৃত নেতাকর্মীদের মনোবল ভেঙে যাবে। সাংগঠনিকভাবে সংগঠন এগিয়ে নিতে পরিশ্রমী ও অভিজ্ঞ নেতাকর্মীদেরকে দিয়ে কমিটি গঠন করতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2026 S.S Media Limited
Theme Customized By Unkwon