মোঃ লিটন শিকদার,গোপালগঞ্জ:
গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলা মৎস্য অফিসের উদ্যোগে নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে অফিসিয়াল কোন ঘোষণা পাওয়া যায়নি এবং উপজেলাতে কর্মরত অধিকাংশ সাংবাদিকদের এ বিষয়ে তথ্য না জানানোর অভিযোগ উঠেছে।
কাশিয়ানী উপজেলা মৎস্য অফিসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (fisheries.kashiani.gopalganj.gov.bd), উপজেলা পরিষদের নোটিশ বোর্ড (kashiani.gopalganj.gov.bd) এবং সাম্প্রতিক সংবাদ অনুসন্ধানে এই নির্দিষ্ট তারিখে এ ধরনের কোনো বিতরণ অনুষ্ঠানের উল্লেখ নেই। তবে, কাশিয়ানী উপজেলায় এই ধরনের কর্মসূচি অতীতে হয়েছে:২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে (২২ এপ্রিল ২০২৫) দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় ৩৫ জন নিবন্ধিত দরিদ্র জেলের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে।
৫ মার্চ ২০২৬-এর নির্দিষ্ট ঘটনা: কোনো সংবাদপত্র, স্থানীয় নিউজ পোর্টাল (যেমন Rupali Bangladesh, BD News 10, Ajker Darpon ইত্যাদি) বা সরকারি সাইটে এই তারিখে কাশিয়ানীতে বকনা বিতরণের খবর নেই। সাংবাদিক সংগঠনের মাধ্যমে জানানোর বিষয়টিও কোনো সূত্রে নিশ্চিত হয়নি।
সাম্প্রতিক অনুরূপ কর্মসূচি: গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ ৬০ জন নিবন্ধিত জেলের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ হয়েছে (উপজেলা মৎস্য বিভাগের আয়োজনে, ইউএনও-এর উপস্থিতিতে।
কাশিয়ানীতে নিজেই ২০২৫ সালে (এপ্রিল) ৩৫ জন জেলেকে বিতরণ করা হয়েছে। নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বিতরণ: হ্যাঁ, সরকারি নিয়ম অনুসারে এসব বিতরণ শুধুমাত্র মৎস্য অধিদপ্তরে নিবন্ধিত প্রান্তিক/দরিদ্র জেলেদের জন্য। সুবিধাভোগী নির্বাচন নিবন্ধন যাচাই করে করা হয়।
এই বিতরণগুলো দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প-এর অধীনে চলে। উদ্দেশ্য: জেলেদের মৎস্য শিকারের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে বিকল্প আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করা (বিশেষ করে নিষেধাজ্ঞার সময়ে)। কাশিয়ানী উপজেলা মৎস্য অফিস নিয়মিত পোনা অবমুক্তি, অভয়াশ্রম স্থাপন ইত্যাদি কার্যক্রম করে।
Leave a Reply