1. shobujsk1990@gmail.com : Sobuj :
April 16, 2026, 2:12 pm
শিরোনাম:
একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের পর বন্ধ সৈয়দ মাসুদ রুমী সেতুর টোল,পুনরায় চালুর ইঙ্গিত হিউম্যান রাইটস অ্যালাইভ এর কমিটি ঘোষণা গোপালগঞ্জ থেকে সরাসরি ঢাকা ট্রেন চালুর দাবি কুষ্টিয়া জেলা যুবলীগের কমিটি নিয়ে নেতা-কর্মীদের অসন্তোষ, সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় কাশিয়ানীতে প্রতারক চক্রের ফাঁদে পড়ে দিশেহারা লাভলী বেগম, থানায় অভিযোগ সাবেক মন্ত্রী কামরুলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের টুঙ্গিপাড়ায় ফিলিং স্টেশনে গ্রাহক ভোগান্তি শীর্ষে স্বাধীনতা দিবস ও কিছু কথা টুঙ্গিপাড়ায় বিষপানের ১১ দিন পর গৃহবধূর মৃত্যু

কাশিয়ানীতে গ্রাহকদের টাকা নিয়ে উধাও ভুয়া এনজিও

  • আপডেটের সময়: Tuesday, August 12, 2025
  • 583 Time View

গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে গ্রাহকদের প্রায় ১০ লাখ টাকা নিয়ে কমিউনিটি একশন ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট(সি.এ.এফ.আর.ডি) নামে একটি ভুয়া এনজিও’র কর্মীরা উধাও হয়েছে বলে জানা গেছে। রবিবার ১০ আগস্ট গ্রাহকদের লোনের টাকা দেওয়ার কথা, কিন্তু গ্রাহকরা লোন নিতে এসে দেখেন এনজিওটি তালাবদ্ধ এবং টিনের বেড়ায় ঝুলানো সাইনবোর্ডটিও নামিয়ে ফেলা হয়েছে। মূলত তখনই এলাকার গ্রাহকরা এনজিওর প্রতারণার বিষয়টি জানতে পারেন। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের চর পিংগলিয়া এলাকায় ওই এনজিও অফিসের সামনে ভিড় করছেন গ্রাহকরা।

ভুক্তভোগী গ্রাহকরা জানান, কমিউনিটি একশন ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট নামের একটি এনজিও জুলাই মাসের ৩১ তারিখে উপজেলার সদর ইউনিয়নের চর পিংগলিয়া নামক এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। কাশিয়ানী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে প্রায় একশো গ্রাহকের থেকে সদস্য ফি ১১শত ২০ টাকা ও লোন দেওয়া কথা বলে জনপ্রতি তিন থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়ের টাকা নিয়েছে তারা। গেল রবিবার সকালে লোন দেওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু গ্রাহকরা লোন নিতে এসে দেখেন এনজিওটি তালাবদ্ধ এবং সাইনবোর্ডটি নামিয়ে ফেলা হয়েছে।

তবে বাড়ির মালিক লিংছন রায় জানান, তাদের সঙ্গে চুক্তিপত্র হওয়ার আগেই তারা পালিয়ে গেছে।

ভুক্তভোগী মো. রাসেল মোল্যা জানান, ৪ লাখ টাকা লোন প্রাপ্তির আসায় ৩ দিন আগে ৫০ হাজার টাকা সঞ্চয় জমা দিয়েছেন তিনি। কিন্তু এখন দেখছেন এনজিওটি ভুয়া। তারা গ্রাহকদের টাকা নিয়ে পালিয়েছে।

ভুক্তভোগী গৌতম চক্রবর্তী বলেন, ২ বছর মেয়াদী লোনের আশায় আমি প্রথমে বীমাসহ ১১২০ টাকা দিয়ে ভর্তি হই পরে ১ লাখ টাকা লোন পেতে ১০ হাজার টাকা সঞ্চয় জমা করতে হয়। রবিবার আমাদের ১২ টার সময় লোনের টাকা দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু এসে দেখি অফিসে তালা দিয়ে তারা পালিয়েছে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত চলছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2026 S.S Media Limited
Theme Customized By Unkwon