1. shobujsk1990@gmail.com : Sobuj :
June 4, 2026, 2:09 pm
শিরোনাম:
হাইওয়ে সড়কে অটোরিকশা-ইজিবাইক চলাচলের নিষেধাজ্ঞা ঈদের ছুটি শেষ হলেও নিজ কার্যালয়ে অনুপস্থিত কর্মকর্তা থামলো রাজপথ কাঁপানো এক কিংবদন্তির কণ্ঠস্বর শহীদ জিয়ার ‘আত্মবিশ্বাস’ই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও পরবর্তী নেতৃত্বের মূল শক্তি: রবিন রায়হান জসিম পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন মোঃ শরিফুল ইসলাম পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন আরিফুল ইসলাম নয়ন পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন মোঃ সাইদুল ইসলাম পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন আলহাজ্ব সিকদার ওয়াহিদুজ্জান ইকু পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন শামীম আহমেদ বাবু পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন বাবুল আখতার

কাশিয়ানীতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান: নিরাপত্তাহীনতায় শিক্ষক ও শিশু শিক্ষার্থীরা

  • আপডেটের সময়: Monday, February 23, 2026
  • 218 Time View

পংকজ দে,নিজস্ব প্রতিবেদক:
কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের বাগিয়া গ্রামে অবস্থিত ১২৭ নং বাগিয়া আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। উপজেলার অধিকাংশ বিদ্যালয় নতুন ভবনে পাঠদান শুরু হলেও এই বিদ্যালয়টি রয়েছে সুবিধা বঞ্চিত।

অনুসন্ধানে গিয়ে দেখা যায় প্রশস্ত আকারের মাঠের একপাশে একটা ভাঙা চোড়া ৫ কক্ষ বিশিষ্ট মেয়াদ উত্তীর্ণ ভবন যেখানে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। শতাধিক শিক্ষার্থীর জন্য অনুপযুক্ত ভবনের সামনের পিলার ভেঙে রড বেরিয়ে গেছে, ভেঙে গেছে দেওয়াল শিক্ষকদের ব্যবহৃত কক্ষের ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে ইট,রড বের হয়ে আছে। শ্রেনী কক্ষের দুই রুমের অবস্থা আরো শোচনীয় একটু বাতাস হলেই পলেস্তারা খসে পড়বে শিক্ষার্থীদের মাথায়।

প্রধান শিক্ষক, পাঁচ জন সহকারী শিক্ষক এবং শতাধিক কোমলমতি শিক্ষার্থী রয়েছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। সহকারী শিক্ষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় , শ্রেনী কক্ষের ছাদ থেকে মাঝে মাঝেই বালু সিমেন্ট খসে পড়ে বৃষ্টির সময় ছাদ চুঁইয়ে পানি পড়ে সবসময় আতঙ্ক নিয়ে পাঠদান করাতে হয়। যেকোনো মুহূর্তে বড়ো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব সেলিম হোসেন বলেন, বিদ্যালয়ের নিজস্ব জায়গা বিভিন্ন দাগ নম্বরে রয়েছে। মূল ভবন তৈরির জন্য ৮৫ ফুট এবং ওয়াস ব্লকের জন্য ২০ ফুট লম্বা জায়গা প্রয়োজন কিন্তু বিদ্যালয়ের জায়গা রয়েছে ৭৫/ ৭৮ ফুট লম্বা যার কারণে ভবন তৈরি সম্ভব হয়নি। বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে ১২ শতাংশ জায়গা রয়েছে যার মালিক অসীম শিকদার। অন্যদিকে বিদ্যালয়ের নিজস্ব ২৩ শতাংশ জায়গা রয়েছে বিদ্যালয়ের মাঠের বাইরে। এওয়াজ বদলের মাধ্যমে জায়গার সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হলেও সেখানে একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে সমাধান অযোগ্য হয়ে পড়ে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে এলাকার অভিভাবকগন তাদের সন্তানদের এ বিদ্যালয়ে ভর্তি করাতে ভয় পায়। পার্শ্ববর্তী বিদ্যালয়গুলো দূরবর্তী স্থানে হওয়ায় বাধ্য হয়েই এ বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হয় কোমলমতি শিশুদের।

সবশেষে শিক্ষা অর্জনে গিয়ে শিশুদের জীবন বিপন্ন হলে এ দায়ভার কে নেবে শিক্ষা অধিদপ্তর/ শিক্ষক নাকি এলাকাবাসী? এ প্রশ্ন এখন শিক্ষা অনুরাগীদের। তাই বর্তমান ভবনটি সংস্কার অথবা নতুন ভবন তৈরি করে শিক্ষক ও শতাধিক শিক্ষার্থীর পাঠদানের পরিবেশ ফিরিয়ে আনা ও সম্ভাব্য জীবন ঝুঁকির হাত থেকে মুক্তির দাবী জানিয়েছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2026 S.S Media Limited
Theme Customized By Unkwon