1. shobujsk1990@gmail.com : Sobuj :
June 4, 2026, 6:31 pm
শিরোনাম:
হাইওয়ে সড়কে অটোরিকশা-ইজিবাইক চলাচলের নিষেধাজ্ঞা ঈদের ছুটি শেষ হলেও নিজ কার্যালয়ে অনুপস্থিত কর্মকর্তা থামলো রাজপথ কাঁপানো এক কিংবদন্তির কণ্ঠস্বর শহীদ জিয়ার ‘আত্মবিশ্বাস’ই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও পরবর্তী নেতৃত্বের মূল শক্তি: রবিন রায়হান জসিম পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন মোঃ শরিফুল ইসলাম পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন আরিফুল ইসলাম নয়ন পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন মোঃ সাইদুল ইসলাম পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন আলহাজ্ব সিকদার ওয়াহিদুজ্জান ইকু পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন শামীম আহমেদ বাবু পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন বাবুল আখতার

ইটভাটার পেটে যাচ্ছে ঐতিহ্যের খেজুর বাগান: বিলুপ্তির পথে কোটচাঁদপুরের ‘তরল সোনা’

  • আপডেটের সময়: Thursday, February 5, 2026
  • 210 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মাঘের হাড়কাঁপানো শীতে যেখানে আমেজ থাকার কথা নলেন গুড় আর টাটকা রসের, সেখানে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে বইছে হাহাকার! “যশোরের যশ, খেজুরের রস”—এই কালজয়ী প্রবাদটি এখন স্রেফ রূপকথার গল্পে পরিণত হতে চলেছে। প্রশাসনের উদাসীনতা আর অবৈধ ইটভাটা মালিকদের ‘গাছখেকো’ লালসার বলি হচ্ছে হাজার হাজার খেজুর গাছ।

আজ থেকে ৭৫-৮০ বছর আগে ব্রিটিশ আমলেও এ অঞ্চলে খেজুর রসের এতটাই আধিপত্য ছিল যে, এখানকার লাল চিনি নদীপথে পাড়ি দিত কলকাতায়। আজ সেই সোনালী ইতিহাস কেবলই দীর্ঘশ্বাস। কালের বিবর্তনে হারিয়ে গেছে সেই বিশাল বাগানগুলো।
বেনেপাড়ার প্রবীণ গাছি শাহিনুর রহমান ক্ষোভের সাথে জানান আগে শত শত বাগান ছিল, সকালে ৭০-৮০ ভাড় রস নামাতাম। আর এখন বাগানই নেই! সব গাছ চলে গেছে ইটভাটার পেটে। তখন ৩ টাকা সের গুড় বেচতাম, এখন ৩০০ টাকা কেজি দিয়েও মানুষ গুড় পায় না।”

অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় বনবিভাগের কর্মকর্তাদের চরম উদাসীনতা এবং প্রশাসনের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে যত্রতত্র কেটে ফেলা হচ্ছে খেজুর গাছ। কয়লার বদলে সস্তায় জ্বালানি হিসেবে ইটভাটায় পোড়ানো হচ্ছে এই ঐতিহ্যবাহী গাছগুলোকে।দুধসরা গ্রামের গাছি আব্দুল অহেদ বলেন, “৩৫ বছর ধরে রস বিক্রি করছি। আগে যে রস ৪০ টাকায় দিতাম, এখন তা ৩০০ টাকা। গাছ কমলে রস আসবে কোথা থেকে?”

সচেতন মহলের মতে, গাছ নিধনের ফলে কেবল ঐতিহ্যই হারাচ্ছে না, ভারসাম্য হারাচ্ছে পরিবেশও। বনবিভাগ মুখে ‘সর্বোচ্চ চেষ্টা’র কথা বললেও মাঠপর্যায়ে বাস্তব চিত্র একেবারেই উল্টো। বীরদর্পে গাছ নিধন চালিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট।যদি এখনই এই ‘বৃক্ষ নিধন যজ্ঞ’ বন্ধ না করা হয়, তবে অচিরেই মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে কোটচাঁদপুরের এই ‘তরল সোনা’র ঐতিহ্য।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2026 S.S Media Limited
Theme Customized By Unkwon